ওয়েব ডেস্ক : হাবরা পুরসভার জঞ্জালের গাড়ি থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেট ছড়িয়ে পড়ছে অশোকনগরের রাস্তায়। আঢাকা গাড়িতে জঞ্জাল নিয়ে যাওয়ার ফলেই এ ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নাগরিক মহলের একাংশ। অভিযোগ, জঞ্জালের গাড়ি থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেট উড়ে এসে পথচলতি মানুষের গায়ে পড়ছে। যত্রতত্র প্লাস্টিক প্যাকেট ছড়িয়ে যাওয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশও। অথচ, অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার সাফাইকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে শহর পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে ‘উৎসেই জঞ্জাল বিভাজন করুন’ বার্তা দিয়ে ফ্লেক্স বোর্ড লাগিয়েছে অশোকনগর -কল্যাণগড় পুরসভার জনস্বাস্থ্য দপ্তর। সেখানে বলা হয়েছে, ‘পরিচ্ছন্নতাই পরিচয় যত্রতত্র আবর্জনা নয়। চলো বর্জ্যমুক্ত বাংলা গড়ি। উৎসেই জঞ্জাল বিভাজন করুন, পৌরসভার গাড়িতে আবর্জনা দিন। অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভায় বিভাজন পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। বর্জ্য আলাদা করে পৌরসভার গাড়িতে দিন। সচেতন হোন, আইন মেনে চলুন। অন্যথায়, পশ্চিমবঙ্গ পৌর নিগম আইনে আর্থিক জরিমানা করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক বছর আগে অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভা এবং হাবরা পুরসভার যৌথ উদ্যোগে নৈহাটি রোডে শ্রমলক্ষ্মী কলোনি সংলগ্ন জমিতে করা হয়েছে জঞ্জাল ফেলার জায়গা বা ভ্যাট। দুটি পুরসভাই জঞ্জাল ফেলার গাড়িতে করে জঞ্জাল নিয়ে নিয়মিত এই ভ্যাটেই ফেলে। হাবরা পুরসভা আঢাকা গাড়িতে জঞ্জাল নিয়ে ভ্যাটের দিকে যাওয়ায় নিত্যদিনই পথেঘাটে প্লাস্টিকের প্যাকেট ছড়িয়ে পড়ে। কখনও সখনও প্লাস্টিকের প্যাকেট সাইকেল আরোহী বা পথচলতি মানুষের গায়েও লাগে। দূষিত হয় পরিবেশও। এনিয়ে ক্ষুব্ধ নাগরিক মহলের একাংশ। তাদের প্রশ্ন, জঞ্জাল ফেলার ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকরা নিয়ম না মানলে তাদের জরিমানার কথা বলা হলেও এনিয়ে অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভা উদাসীন কেন? নাগরিকদের একাংশের দাবি, পরিবেশ রক্ষার জন্য আঢাকা জঞ্জাল ফেলার গাড়ি নিষিদ্ধ করতে যথাযথ পদক্ষেপ করুক পুরসভা।