সুদিন গোলদার, অশোকনগর

রজত জয়ন্তী বর্ষের শিশু উৎসবের উদ্বোধন হলো মহাসমারোহে। অশোকনগর-কল্যাণগড় শিশু উৎসব কমিটি আয়োজিত এবারের এই উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে এই উৎসবের প্রাণপুরুষ সদ্যপ্রয়াত ব্যক্তিত্ব মনীষীমোহন নন্দীর নামে। ১৪ নভেম্বর পণ্ডিত জহরলাল নেহরুর জন্মদিন, যা শিশু দিবস নামে পরিচিত, সেই দিনেই রাজ্যের আকর্ষণীয় এই উৎসবের উদ্বোধন হলো। এদিন উৎসবের শুরুতে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ ও ঢাকের বাদ্যির সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। অশোকনগর-কল্যাণগড় শিশু উৎসব কমিটির আকর্ষণীয় শিশু উৎসব এবছর ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করল। শিশু দিবসে কচুয়া মোড় সংলগ্ন কমিটি দপ্তরের সামনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উৎসব শুরু হয়। উৎসবের প্রারম্ভিক পর্বে পন্ডিত জহরলাল নেহরুর আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার পুরোপ্রধান প্রবোধ সরকার। এরপর বর্ণময় মঞ্চে ২৫টি প্রদীপ প্রজ্জলন করে ২৫জন শিশু। নন্দিনী পালের নেতৃত্বে শিশুরা পরিবেশন করে হৃদয়গ্রাহী উদ্বোধনী সংগীত। শপথ বাক্য পাঠ করায় শমীক দাস নামে এক শিশু।

এদিন উৎসব মঞ্চে শিশু উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করে বক্তব্য রাখেন পুরপ্রধান প্রবোধ সরকার, প্রাক্তন বিধায়ক সত্যসেবী কর, বিভাস ভট্টাচার্য, অন্বেষা মল্লিক, অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্যামল ঘোষ, উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি ধূর্জটি সান্যাল, উৎসব কমিটির সভাপতি বিজনরতন ভট্টাচার্য প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার সুজন সেন, বঙ্কিম চক্রবর্তী, সমীর দত্ত, উপদেষ্টামন্ডলীর আহ্বায়ক হরিদাস কর, উৎসবের মূল কমিটির সভাপতি রঞ্জিত ভট্টাচার্য, হিমাংশু দাস, যুগ্ম-সম্পাদক বিক্রম দাস প্রমুখ। এদিন সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন উৎসবের মূল কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক তনয় মজুমদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরেই এদিন শতাধিক শিশু অশোকনগরের বিভিন্ন স্থানের প্রায় ২০টি দেওয়ালে চিত্র অঙ্কন শুরু করে। মূলত পরিবেশ ভাবনা বিষয় চিত্র অংকনকে এবারের উৎসবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরপর বিভিন্ন দিনে পালিত হবে নানাবিধ প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠান। এই উৎসব উপলক্ষে প্রকাশিত হবে ‘সবুজ শৈশব’ নামের পত্রিকা। বিশে জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই উৎসবের সমাপতন হবে।

155 Views