আশিস কুমার ঘোষ, কলকাতা

বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী প্রোডাক্ট এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য পরিচিত গ্লোবাল মোবাইল ব্র্যান্ড টেকনো ইন্ডিয়ার ব্র‍্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক এবং অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখার্জী। গত ২২ মার্চ শনিবার শিবপ্রসাদ মুখার্জিকে তাদের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত করার কথা ঘোষণা করতে পেরে তারা গর্বিত বলে জানিয়েছে টেকনো ইন্ডিয়া। পশ্চিমবঙ্গের কৃতি সন্তান, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শিবপ্রসাদ মুখার্জী তাঁর সিনেমায় সামাজিকভাবে প্রাসঙ্গিক এবং মর্মস্পর্শী গল্প চিত্রায়িত করার জন্য সুপরিচিত। তাঁর ছবি দেশজুড়ে বিশেষত তাঁর নিজ রাজ্যে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। তিনি টেকনো-র মিশনে যেমন সৃজনশীলতা এবং আবেগের মিশেল এনেছেন, তেমনি রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে টেকনো-র আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এই অংশীদারিত্বের লক্ষ্য হলো, ব্যক্তিদের উৎকর্ষের পথে ‘Stop At Nothing’ এবং ডিজিটাল ক্ষমতায়নে উৎসাহিত করা। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলে স্মার্টফোনের ব্যবহার ২০১৮ সালের ২৭.৭% থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৬৫.৭% (27.7% in 2018 to 65.7% in 2022) হয়েছে। টেকনো এই পরিবর্তনকে আরও এগিয়ে নিতে চায়। এই সংস্থা উন্নত প্রযুক্তিগত সমাধান নিয়ে আসার মাধ্যমে মানুষকে নতুন সৃজনশীল পথ খুঁজে নিতে সাহায্য করবে এবং ক্রমবর্ধমান সংযুক্ত বিশ্বে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনে সক্ষম করবে বলে দাবি করেছে।

টেকনো-র সিইও অরিজিত তলাপাত্র বলেন, ‘শিবপ্রসাদ মুখার্জীকে টেকনো পরিবারে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত উৎসাহিত। একজন দূরদর্শী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বহুমুখী শিল্পী হিসেবে শিবপ্রসাদের সৃজনশীলতা এবং চলচ্চিত্র জগতে তাঁর প্রভাব, প্রযুক্তি ও ডিজাইনের সীমানা পেরিয়ে গিয়েছে। আর এটা আমাদের মিশনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। টেকনোর সাথে এই অংশীদারিত্ব আমাদের সেই অঙ্গীকারের প্রতীক, যা ব্যক্তির ক্ষমতায়নের জন্য AI-চালিত, রূপান্তরমূলক অভিজ্ঞতা দিতে আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে’। এই সহযোগিতা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শিবপ্রসাদ মুখার্জী বললেন, ‘টেকনো মোবাইলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এই অংশীদারিত্বে আমি দারুণ উৎসাহিত। অরিজিত তলাপাত্র আমার অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু, এবং তাঁর ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত হতে পারা আমার কাছে ব্যক্তিগত বিশেষ অনুভূতি। টেকনো কেবল তার উদ্ভাবন এবং নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে তাই নয়, বরং আমার চলচ্চিত্রের গর্বিত অংশীদারও হয়ে উঠেছে। ফলে এই সহযোগিতা আমার কাছে আরও অর্থবহ হয়ে উঠেছে। আমাদের লক্ষ্য একই – মানুষকে অনুপ্রাণিত করা এবং ক্ষমতায়িত করা। তাই এই যৌথ সফর নিয়ে আমি সত্যিই উৎসাহিত। টেকনোর কাহিনীর অংশ হওয়া, তা সে পর্দার আড়ালেই হোক বা পর্দার সামনে, আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। আমি এই ব্র্যান্ডের ক্রমবর্ধমান বিশ্বাস, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের উত্তরাধিকার গড়তে অবদান রাখতে আগ্রহী’।

26 Views