ওয়েব ডেস্ক : লেখিকা, সমাজকর্মী তহমীনা খাতুনের ৫৯তম জন্মদিনে ২৯ জুন রবিবার বিকেলে গোবরডাঙ্গা রেঁনেসাস ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গুণীজনদের হাতে তহমীনা খাতুন স্মারক সম্মান এবং শহিদ সেনা জওয়ান ঝন্টু আলি শেখ ও প্রয়াত সমাজকর্মী আত্মজিৎ চৌধুরীর পরিবারের হাতে তহমীনা খাতুন মরণোত্তর স্মারক সম্মান তুলে দিল তহমীনা খাতুন স্মৃতিরক্ষা কমিটি। সেই সঙ্গে আয়োজন করল তহমীনা খাতুন স্মারক বক্তৃতার। বিষয় ছিল ‘শিক্ষাব্রতী রোকেয়া ও বাঙালি মুসলিম নারী সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার’। আলোচক রোকেয়া গবেষক প্রাণতোষ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন তহমীনা খাতুন স্মৃতিরক্ষা কমিটির সভাপতি ডা: ভবানী প্রসাদ সাহু। শুরুতে তহমীনা খাতুনের প্রতিকৃতি ও শহিদ বেদিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ডা: ভবানী প্রসাদ সাহু-সহ অন্যান্য অতিথিরা। এরপর শহিদ সেনা জওয়ান ঝন্টু আলি শেখ, প্রয়াত সমাজকর্মী আত্মজিৎ চৌধুরী, সদ্য প্রয়াত আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক কুমারেশ দাশ, গোবরডাঙ্গা গবেষণা পরিষদের অন্যতম কর্ণধার ও বিজ্ঞানকর্মী রেখা দাঁ, লেখিকা, সমাজকর্মী তহমীনা খাতুন ও সাথী কার্তিক সেন স্মরণে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এদিন প্রীতিলতা বয়েজ স্কুলের এনসিসি ক্যাডেটরা অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনে শহিদ ঝন্টু আলি শেখের পরিবার গার্ড অফ অনার দেয়। এরপর শহিদ সেনা জওয়ানের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় তহমীনা খাতুন মরণোত্তর স্মারক সম্মান। পাশাপাশি প্রয়াত সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক কর্মী আত্মজিৎ চৌধুরীর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় তহমীনা খাতুন মরণোত্তর স্মারক সম্মান। এছাড়াও এদিন বিশিষ্ট কবি কাজি মুরশিদুল আরেফিনকে এবং সংগ্রামী শিক্ষার্থী জজবুল সেখকে তহমীনা খাতুন স্মারক সম্মাননা দেওয়া হয়। গুণীজনদের স্মারক সম্মান দেওয়ার পর এই মঞ্চে সাংবাদিক সুকুমার মিত্রের লেখা ‘সুভাষ নন, ওটেনকে মারেন অনঙ্গমোহন’ গ্রন্থটি আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশিত হয়। সবশেষে ছিল তহমীনা খাতুন স্মারক বক্তৃতা। রোকেয়া ইনস্টিটিউট অফ ভ্যালু এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের কোঅর্ডিনেটর প্রাণতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘শিক্ষাব্রতী রোকেয়া ও বাঙালি মুসলিম নারী সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। সমাপ্তি ভাষণ দেন ডা: ভবানী প্রসাদ সাহু। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন মণিরুল হক।

252 Views