ওয়েব ডেস্ক : দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ অবস্থান চলছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র। যদিও ওই পরিসর খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এরপরেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং তাঁর সংগঠনের সমর্থকরা ২১ জুন রবিবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য সারা ভারতের কৃষকদের এদিন ফের অনুরোধ জানান দীপকে। পাশাপাশি, এই বিক্ষোভে সামিল হওয়ার জন্য জনগণের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি। উল্লেখ্য, বিক্ষোভস্থলে শৌচাগারের জল সরবরাহ বন্ধ না করার জন্য দিল্লি পুলিশকে অনুরোধ করেন দীপকে। সিজেপি-র অভিযোগ, দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভস্থলের আলো নিভিয়ে দিয়েছিল এবং জল, খাবার ও শৌচাগার ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করে দিয়েছিল। যদিও পরে বিক্ষোভকারীরা জানান যে, জল সরবরাহ ও আলো, দুটোই পুনরায় চালু করা হয়েছে।

ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে শনিবার রাতে মানুষকে তাদের বিক্ষোভে শামিল হতে এবং শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ জায়গাটি খালি করার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও তারা রাতভর অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন। এদিন বিক্ষোভকারীরা হাতে ‘থালা’ (স্টিলের প্লেট) নিয়ে সমবেত হন এবং ‘গো প্রধান গো’ (প্রধান দূর হটো) স্লোগান দিতে থাকেন। যতদূর খবর, বিক্ষোভ অবস্থান এখনও চলছে। নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলছে এই আন্দোলন। এর দ্বিতীয় দিনেও সাধারণ মানুষকে এই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান অভিজিৎ দীপকে। পাশাপাশি নীট-এর পুনঃপরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষা শেষে এই আন্দোলনে যোগ দিতে বলেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে বিক্ষোভ অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু আপনাদের সমর্থন ছাড়া এই আন্দোলন সফল হবে না।’ এদিকে দিল্লি পুলিশ জানায় যে, এই বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি শনিবার বিকেল ৫টায় শেষ হয়ে গেছে। বিক্ষোভকারীদের জায়গাটি খালি করার নির্দেশ দেয় তারা। কিন্তু এর পরেও বিক্ষোভ চলছে। অন্যদিকে, পুলিশের কাছে বিক্ষোভের জন্য অন্য কোনও জায়গা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তবে সেই ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরেই অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

94 Views