ওয়েব ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভা নির্বাচনের ম্যাচটি মুষ্টিমেয় ধনকুবেরের সহায়তায় ফিক্সিং করছেন। এমনকি এটি শুরু হওয়ার আগেই দু’জন খেলোয়াড়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তীব্র কটাক্ষ করে একথা বললেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধি। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানায় রেখে রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান না বিরোধীরা নির্বাচনে লড়ুক। নির্বাচনের ঠিক আগে তিনি দুই মুখ্যমন্ত্রীকে জেলে পাঠিয়েছেন। তিনি আমাদের সব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, নির্বাচনের ঠিক আগে কেন আপনি এটা করলেন? আপনি এটা ছয় মাস পরে বা ছয় মাস আগে করতে পারতেন। এই নির্বাচন ভোটের লড়াইয়ের জন্য নির্বাচন নয় উল্লেখ করে রাহুল আরও বলেন, এই নির্বাচন গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই। বিজেপির এক নেতা বলেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই সংবিধান পরিবর্তন করা হবে। এটা ভুল করে বলেননি। এই ধারনার পরীক্ষা করা হচ্ছে। জনগণকে সতর্ক করে রাহুল বলেন, মনে রাখবেন সংবিধান জনগণের কণ্ঠস্বর। যেদিন এটা শেষ হবে, দেশ শেষ হয়ে যাবে। যদি আপনি ন্যায়বিচারের সঙ্গে ভোট না দেন, তাহলে ম্যাচ ফিক্সাররা জিতবে।

এদিন রামলীলা ময়দানে রাহুল যখন বক্তৃতা করছেন, তখন মঞ্চে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনিতা কেজরিওয়াল এবং ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের স্ত্রী কল্পনা সোরেনের সঙ্গে ছিলেন সোনিয়া গান্ধিও। উল্লেখ্য, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং হেমন্ত সোরেন দুজনকেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার করেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গত ২১ মার্চ রাজধানীতে আবগারি নীতি কেলেঙ্কারির অভিযোগে ইডি গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে, গত ৩১ জানুয়ারি জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করেছে হেমন্ত সোরেনকে। প্রসঙ্গত, আসন ভাগাভাগি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের মধ্যে বেশ কিছু অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও, কেজরিওয়ালের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এদিন দলগুলো একত্রিত হয়ে ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।

3 Views