আশিস কুমার ঘোষ, কলকাতা

বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের দূর শিক্ষণের অগ্রণী প্রতিষ্ঠান ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (ইগনু)-এর ৩৯তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো। আজ মঙ্গলবার ইগনুর নয়াদিল্লির সদর দপ্তরের পাশাপাশি কলকাতা-সহ একসঙ্গে দেশের ৫১টি আঞ্চলিক কেন্দ্রে ডিজিটাল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়
৩৯তম সমাবর্তন। ভারতের উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে সমাবর্তন ভাষণ দেন। তিনি জাতি গঠনে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শিক্ষার পরিবর্তনকারী ভূমিকার ওপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেন। ইগনুর আঞ্চলিক কেন্দ্র, কলকাতায় সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি হয় সল্টলেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু অডিটোরিয়ামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় বিচার বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ড. নির্মলকান্তি চক্রবর্তী। তিনি তাঁর ভাষণে শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং তাদের জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রেখে নিজেদের উৎকর্ষ সাধনের আহ্বান জানান। তিনি ওপেন এন্ড ডিস্টেন্স লার্নিং-এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রসার বিশেষ করে যারা প্রচলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে সক্ষম নয়, তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে ইগনুর কলকাতা কেন্দ্রের সিনিয়র রিজিওনাল ডিরেক্টর ড. সুজাতা দত্ত হাজারিকা তাঁর ভাষণে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজকে শক্তিশালী করা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং আত্ম উন্নয়নের গুরুত্বের উপর আলোকপাত করেন। তিনি ওপেন অ্যান্ড ডিস্টেন্স লার্নিং পদ্ধতির মাধ্যমে নারী, ভিন্নভাবে সক্ষম শিক্ষার্থী, উপজাতি সম্প্রদায় এবং সংশোধনাগারের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে ইগনুর অবদান তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, চলতি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেশের সর্বমোট ৩,১০,৫৩২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্ৰি, ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়, এর মধ্যে কলকাতা অঞ্চলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২৪৮ ।

42 Views