ওয়েব ডেস্ক : ক্ষুধা, অপুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলি জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা উচিত ছিল। কিন্তু তা নেই। বলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফের চেয়ারম্যান পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকী। সম্প্রতি সমাজ মাধ্যমে এমন মন্তব্য করেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন – একটি স্বাধীন দেশে কে কী খাবেন, তা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। রাষ্ট্রের কাজ নাগরিকের খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করা নয়। অথচ খাবার নিয়ে নৈতিকতা ও নজরদারির প্রবণতা বাড়ছে। আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত ছিল-ক্ষুধা, অপুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলিকে নিয়ে। কিন্তু এগুলি নিশ্চিতভাবে এই মুহূর্তে আমাদের জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে নেই। এটি দুর্ভাগ্যজনক।

তাঁর প্রশ্ন, একজন মানুষ কী খাবেন, তা নিয়ে এত মাথাব্যথা কেন; অথচ তিনি দু’বেলা পেট ভরে খেতে পারছেন কি না, সেই প্রশ্ন আড়ালে থাকে কেন?
ভাঙরের বিধায়ক বলেন, বিতর্ক হওয়া উচিত- ‘কে কী খাবে?’ সেই নিয়ে নয়, ‘কেউ না খেয়ে থাকবে কেন?’ সেটি নিয়ে। খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নৈতিক পুলিশিং নয়, আমাদের আলোচনা হওয়া উচিত ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে। মনে রাখতে হবে ২০২৫ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (Global Hunger Index)-এ ১২৩টি র‍্যাঙ্ক করা দেশের মধ্যে ভারত ১০২তম স্থানে, এবং ভারতের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (GHI) স্কোর ২৫.৮-যা ‘গুরুতর’ ক্ষুধার শ্রেণিতে পড়ে। সুতরাং পাতে কী থাকবে, তা নাগরিকের অধিকার; কিন্তু পাতে খাবার থাকবে কি না, তা নিশ্চিত করার দায় ‘রাষ্ট্রের’ বলেন নওসাদ সিদ্দিকী।

88 Views