অমর চক্রবর্তী, অশোকনগর
দুর্গাপুজো আসতে না আসতেই তার মধ্যেই হয়ে গেল কালীপুজোর খুঁটিপুজো। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মধ্যে এমন রীতি রয়েছে রাজারহাটে। তবে সাম্প্রতিককালে হাবরা অশোকনগর এলাকায় এত তাড়াতাড়ি কালীপুজোর খুঁটিপুজো হওয়ার নজির নেই। রবিবার অশোকনগর সংঘশ্রী ক্লাবের খুঁটিপুজোয় বসেছিল চাঁদের হাট। বর্তমান বিধায়ক ডা সুময় হীরার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন দুই বিধায়ক সত্যসেবী কর এবং ধীমান রায়। ছিলেন ক্লাবের সভাপতি তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: পুষ্পেন্দু সেনগুপ্ত এবং টাকি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী পরিশুদ্ধানন্দজী মহারাজ। মহারাজের মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমেই খুঁটিপুজো সম্পন্ন হয় এবং আজ থেকেই মন্ডপ বাধার কাজ শুরু হয়ে যায়।
৫৯তম বর্ষে অশোকনগরের এই ঐতিহ্যবাহী শ্যামাপুজোর থিম ‘তামিলনাড়ুর আদি যোগী মন্দির’।
ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, অতীতের মতো এবারও সংঘশ্রী ক্লাবের পূজোয় ছুটে আসবেন দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরা। পুজোর উদ্বোধন করবেন একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। থাকছে জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এদিন অশোকনগরের বিধায়ক ডাক্তার সুময় হীরা সংঘশ্রী ক্লাবের এই শ্যামাপুজো সকলের উৎসব হয়ে উঠুক এমনটাই কামনা করেন। অন্যদিকে প্রাক্তন বিধায়ক সত্যসেবীর দাবি জানান যে, পুজোর পাশাপাশি সংঘশ্রী ক্লাবে আবার বসুক ঐতিহ্যবাহী ফুটবলের আসর।খেলাধুলার প্রসার এবং প্রচার নিয়ে একই রকম ভাবে প্রাক্তন বিধায়ককে সমর্থন করেন আর এক প্রাক্তন বিধায়ক ধীমান রায়। মহারাজ শ্যামাপুজোর ঐতিহ্যকে আধ্যাত্মিকভাবে তুলে ধরেন।
ক্লাবের সভাপতি ডা পুষ্পেন্দু সেনগুপ্ত সংঘের সদস্যদের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্লাবের প্রবীণ সদস্য মলয় গুপ্ত।
সব মিলিয়ে বলা যায় যে, অশোকনগরের এই ঐতিহ্যবাহী শ্যামাপুজো যে এবার জেলার মধ্যে এক বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে।
ছবি : গৌতম সমাদ্দার


