আশিস কুমার ঘোষ, হুগলি
সম্প্রীতির নজির গড়ল বলাগড় শতদল সংঘের ৩৫ বছরের রাস উৎসব। বাংলার সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজার রেখে এই উৎসবে সামিল হয়েছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও। রাস উৎসব উদযাপনে উদ্যোগী হয়েছেন তাঁরাও। উৎসব কমিটির মধ্যে প্রায় ১০ জন মুসলিম আছেন। ৩৫তম বর্ষ উপলক্ষে এবার পুজো মণ্ডপ অন্যরকম ভাবে সাজিয়েছে বলাগড় সংঘ। এবার তারা কলকাতার ত্রিধারার মণ্ডপের থিম নিয়ে এসেছেন। শিল্পী গৌরাঙ্গ কুইল্যারের তৈরি কাল্পনিক পাহাড়ি মন্দির এবার ছিল এই পুজোর বিশেষ আকর্ষণ। বিন্দুবাসিনী আর রাধাকৃষ্ণ পুজো এই রাস উৎসব। ৫ নভেম্বর বুধবার ছিল রাস উৎসব। কিন্তু এ সপ্তাহের শুরু থেকেই এই উৎসবে মেতে ওঠেন স্থানীয়রা। এবার শতদল সংঘের ঠাকুর আনার শোভাযাত্রায় বিদেশীরা নৃত্যগীত পরিবেশন করেছেন বলে খবর। এই উৎসবে মায়াপুরের রীতি অনুসারে আট সখী, ললিতা, বিশাখা, চিত্রা, চম্পকলতা, তুঙ্গবিদ্যা, ইন্দুলেখা, রঙ্গদেবী, সুদেবী মূর্তি থাকে। বিন্দুবাসিনী আর রাধাকৃষ্ণ পুজো হয়েছে। নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণলীলা, কীর্তন দল এসে তাদের নাচ গান পরিবেশন করেছে। উল্লেখ্য, মঙ্গল আরতি পর ঠাকুরকে মাখন, মিছরি এবং মিষ্টি, লুচি ভোগ নিবেদন করা হয়েছে।


