ওয়েব ডেস্ক : অবিলম্বে ২৭ লাখ নাগরিকের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই দাবি নিয়ে আজ বুধবার কলকাতায় অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর ডাকে এক মিছিলে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ। শিয়ালদা স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল যায় ধর্মতলার রানী রাসমণি রোড পর্যন্ত। এরপর আইএসএফ-এর এক প্রতিনিধি দল যায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। এদিন দুপুরেই প্রচণ্ড গুমোট গরমে মানুষ পথ হেঁটেছে। আবার মিছিল চলতে চলতেই আকাশ থেকে নেমে এসেছে বৃষ্টি। ভিজেছে মানুষ। কিন্তু মিছিল থামেনি। পরে দলের চেয়ারম্যান, বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি চার সদস্যের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে অতিরিক্ত সিইও-র হাতে স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। ‘ভোটাধিকার বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানে মুখরিত ছিল আজকের মিছিল।

এদিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজ তরান্বিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলছি। নাগরিকেরা যাতে আর হয়রানির শিকার না হয় সেটি লক্ষ্য‌ রাখার কথা বলেছি। অনলাইন শুনানি করা জরুরি বলেও জানিয়েছি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির নামে যাদের নাম বাদ গেছে তাদের নাম দ্রুততার সঙ্গে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হোক। এতে তাঁরা চিন্তামুক্ত হবেন বলে অভিমত প্রকাশ করেন নওসাদ সিদ্দিকী। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার বেশ কয়েকটা দিন কেটে গেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে চুপ করে বসে আছেন। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধীদল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনের আগে অনেক আন্দোলন করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তারাও এখন উধাও। কিন্তু দায়িত্বশীল দল হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে আছে আইএসএফ। প্রয়োজনে আগামীদিনে আইনী লড়াইয়েও দল সামনে থাকবে। মিছিলের পুরোভাগে আইএসএফ চেয়ারম্যান ছাড়াও দলের রাজ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি হিসেবে সিইও দপ্তরে যান নওসাদ সিদ্দিকী ছাড়াও আইএসএফ-এর রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিত মাইতি, তাপস ব্যানার্জি, নাসিরুদ্দিন মীর ও প্রতীক মণ্ডল।

79 Views